অনলাইন ডেস্কঃ পবিত্র ঈদুল আজহার আগে বাজারে বাড়ছে আদার দাম। সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশি জনপ্রিয় চীনা আদার দাম প্রতি কেজি ১৮০ টাকার আশপাশে। কিছুটা বেড়েছে রসুনের দামও।

দেশে ঈদুল আজহায় আদা, রসুন ও অন্যান্য মসলার চাহিদা বেশি থাকে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চীনা আদার দাম বাড়ার কারণ আমদানি কমে যাওয়া। সরবরাহে ঘাটতির কারণে ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা আদার দামও বেড়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হল, মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশন ও মহাখালী কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে গতকাল বৃহস্পতিবার দেখা যায়, চীনা আদা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা ছিল। একই সঙ্গে ভারতীয় আদা কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকার আশপাশে উঠেছে। বাজারে সাধারণ মানের কিছু আদা পাওয়া যাচ্ছে, যা আংশিক পচন ধরা। এই আদার কেজি ৮০ টাকার আশপাশে।

রাজধানীর মসলাজাতীয় পণ্যের পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে গতকাল চীনা আদা ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ও ভারতীয় আদা ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। শ্যামবাজারের আড়তমালিক মো. মাজেদ প্রথম আলোকে বলেন, আমদানিতে ব্যয় অনেক বেশি পড়ছে। তাই চীন থেকে আদা আমদানি বন্ধ আছে। তিনি বলেন, তারপরও খুচরা বাজারে দাম এত বেশি হওয়ার কথা নয়।

পেঁয়াজের দাম কমেছে। কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে গতকাল এক পাল্লা (৫ কেজি) দেশি পেঁয়াজ ২২০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় ৪৪ টাকা। ওদিকে মহাখালী বাজারের খুচরা দোকানে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করেন মুদিদোকানিরা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। দুই সপ্তাহ আগেও বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা ছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। দাম কমার এটাই কারণ।

আমদানি করা চীনা রসুনের কেজিপ্রতি দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকায় উঠেছে। দেশি রসুন পাওয়া যাচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। সূত্রঃ প্রথম আলো

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here