অনলাইন ডেস্কঃ একটা সময় যমজ ভাইবোনদের একই রকম পোশাক পরার প্রচলন ছিল। যেটাকে বলা হতো ‘জোড়া পোশাক’। পিঠাপিঠি ভাইবোনদেরও একই রকম পোশাক পরানো হতো, যেন দুজনের পোশাকি মিলটা থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় সময়ের হাত ধরে বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে, স্বামী-স্ত্রী কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকার পোশাকি পছন্দের নাম হয়েছে ‘যুগল পোশাক’।

  যুগল পোশাকের রং এবং নকশা একই রকম থাকে। আগে দরজি বাড়ি গিয়ে একই রকম পোশাক বানিয়ে নিতে হতো। এখন ফ্যাশন হাউজগুলো সে কাজ অনকেটাই সহজ করে দিয়েছে। যুগল পোশাকের ধারণাটি প্রথম যে ফ্যাশন হাউজটি প্রচলন করে সেটির নাম ‘সাদাকালো’। ২০০৪ সালে ‘তুমি আর আমি এক চিমটি’ স্লোগানের পোশাক এনে স্থানীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর মধ্যে সাড়া ফেলেছিল ‘সাদাকালো’। ২০০৫ সালে সাদাকালোর স্বামী-স্ত্রীর যুগল পোশাকের মডেল হয়েছিলেন দেশবরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আলী যাকের ও সারা যাকের।

এই সময়ে এসে যুগল পোশাক নিয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে অনেক। বিভিন্ন উৎসব-পার্বনে দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলো সেভাবেই তাদের পোশাকের সম্ভার সাজায়। ফতুয়া, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া-শাড়ি, পাঞ্জাবি-শাড়ি, পাঞ্জাবি-সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি-সালোয়ার-কামিজ দেখা যায় একই রং এবং নকশায় ছোট-বড় সব সাইজের।

উৎসবে প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক পরা এখন ফ্যাশন। তাই যুগল বা ম্যাচিং পোশাক পাওয়া যাচ্ছে কমবেশি সব প্রতিষ্ঠানেই। দামও হাতের নাগালে। ঈদুল ফিতরে পরিবারের সদস্যের সবার জন্যে একই রং ও ডিজাইনের পোশাকের ভাবনা থেকে কে ক্র্যাফট করেছে নানা আয়োজন। ফেসবুকে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মুখ বাপকা বেটা ও মারুফ। বাপকা বেটা মূলত বাবা-ছেলের যুগলবন্দী গানের দলের নাম। তারা এবার কে ক্র্যাফটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুগলবন্দী পোশাকে। যুগল পোশাক আরও পাওয়া যাচ্ছে সাদাকালো, অঞ্জনস, সারা, রঙ বাংলাদেশ, এমব্রেলাসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে। সূত্রঃ ইত্তেফাক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here