অনলাইন ডেস্কঃ  সাকিব আল হাসানসহ ১৬ জনকে  সম্মাননা দিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগ।

শেয়ারবাজারে নতুন অনুমোদন পাওয়া ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিং লিমিটেডের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সৌন্দর্যবর্ধনে প্রায় ৭-৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন সাকিব। জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক মোনার্ক হোল্ডিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার বিভাগের সেমিনার কক্ষে একটি অফিস ও দুটি ক্লাসরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সাকিব আল হাসানের পক্ষে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন সমবায় অধিদফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আবুল খায়ের হিরু।

সাকিব ছাড়াও বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন ও উদ্যোগে ভূমিকা রাখায় আরও ১৫ ব্যক্তিকে দেওয়া হয় এ সম্মাননা। তারা হলেন- মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ তালুকদার, আবুল খায়ের হিরু, টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, পিএন কম্পোজিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার সাহা।

সম্মাননা পেয়েছেন তারা স্পিনিং মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদেকুর রহমান মনির, ন্যাশনাল এসেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুমায়ুন বখতিয়ার, ন্যাশনাল এসেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান দেওয়ান নুরুল ইসলাম, বোরাক সি ফুড ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহজাহান, ফারডেকোরের সিও ফারজানা আক্তার, সাবেক শিক্ষার্থী বিকাশ চন্দ্র সাহা, মো. আলী ইসরাফিল, আলতাফ হোসাইন, ওবায়দুল্লাহ হিল মোমেন, মনজুরুল হাই।

সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান শেষে বিভাগের একটি অফিস এবং দুটি ক্লাস রুম উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মঈন, মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ তালুকদারসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও সম্মাননাপ্রাপ্তরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের করার জন্য শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে এসব কালচার বেশি দিনের নয়। সমাজের যারা প্রতিষ্ঠিত তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এসব সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রসর হবে। সর্বোপরি এ দেশ এবং জাতি অগ্রসর হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের এ আয়োজনটি ছোট কিন্তু গভীরতা অনেক বেশি। বিভাগের চেয়ারম্যানসহ এ আয়োজনের সাথে যারা সম্পৃক্ত এবং যারা সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ। আশাকরি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের শুভানুধ্যায়ীরা সহযোগিতা করছে বলেই আমরা কাজগুলো করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে সব কার্যক্রমে বিভাগের অ্যালামনাইসহ বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সুত্রঃ যুগান্তর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here