অনলাইন ডেস্কঃ ভয়াবহ বায়ুদূষণের রেশ কাটতে না কাটতেই তীব্র ঠান্ডায় বিপর্যস্ত ভারতের দিল্লিবাসীর জনজীবন। ঘন কুয়াশায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। তীব্র ঠান্ডা ও কুয়াশা সব মিলিয়ে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

সকাল হোক বা দুপুর গাড়ির হেডলাইট জ্বালানো ছাড়া রাস্তা বের হওয়া যেন অসম্ভব। যতদূর চোখ যায় দৃষ্টিসীমানায় শুধুই কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে উঁচু অট্টালিকাও অদৃশ্য প্রায়।

হঠাৎ করেই তীব্র শীত জেঁকে বসেছে নয়াদিল্লিতে। বছর শেষের এই সময়টা বিত্তশালীদের জন্য উপভোগ্য হলেও নিম্ন আয়ের কর্মজীবি মানুষের জন্য এ যেন মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ। প্রতিদিনের আয়ে যাদের সংসার চলে ঠান্ডার কারণে তারাই সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।
স্থানীয়রা বলেন, ঠান্ডার কারণে আমাদের হাত জমে আছে। আমরা কাজকর্ম করতে পারছি না। গাড়ি চালানোর সময় অনেক বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। কিন্তু আমরা কি করতে পারি? আমাদের খাবারের জন্য উপার্জন করতে হবে। প্রচণ্ড কুয়াশা এবং ঠান্ডার কারণে আমাদের হাত কাঁপছে। গতকালকের তুলনায় আজ ঠান্ডা আরও বেশি।

জম্মু-কাশ্মীর এবং হিমাচল প্রদেশের তুষারপাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লিসহ বেশকিছু অঞ্চলে। গেল মঙ্গলবার সর্বনিম্ন রাজস্থানে মাইনাস দুই দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। আর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে রেকর্ড হয়েছে তিন দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কমে আসায় কয়েক দিন আগেও দিল্লিতে হলুদ সতর্কতা জারি করেছিলো আবহাওয়া দফতর। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here