অনলাইন ডেস্কঃ চোরাচালান রোধে রাজশাহীর সীমান্তবর্তী এলাকায় গবাদিপশুর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিজিবির নেওয়া এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। আর বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, এই পদ্ধতিতে সহজেই অবৈধ পথে আসা গরু-মহিষ চিহ্নিত করা যাবে।

রাজশাহীর সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও চোরাচালান ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে বিজিবি। তাই চর আষাড়িয়াদহ, খানপুর, খিদিরপুর, মাঝারদিয়াসহ সীমান্ত এলাকায় গবাদিপশুর জন্য করতে হবে নিবন্ধন। বিজিবি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানে কাছে এই নিবন্ধন করা যাবে। পাশাপাশি নিজের কাছেও রাখতে হবে এ সংক্রান্ত একটি খাতা। এতে সীমান্তবর্তী গ্রাম বা ইউনিয়নে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে গরু-মহিষের হিসাব রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। এ ছাড়া গবাদিপশুর বাচ্চা জন্ম নিলে অথবা গরু-মহিষ ক্রয় বা বিক্রয় করলেও সেই তথ্য বিজিবি ক্যাম্প ও ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রার খাতায় সংযোজন-বিয়োজন করতে হবে।

 
এদিকে বিজিবির নেওয়া এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
 
এ বিষয়ে রাজশাহী পবা মেম্বার ৪নং হরিপুর ইউনিয়ন মাহফুজুর রহমান বলেন, চোরাই জিনিসটা প্রতিরোধের জন্যই বিজিবি প্রত্যেকের বাসাই গিয়ে একটি তালিকা করছে যে তাদের বাসাই কয়টা গরু আছে।
অবৈধ পথে ভারত থেকে গরু মহিষের প্রবেশ ঠেকাতে ও চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বন্ধে এমন ব্যবস্থা বলছেন বিজিবির কর্মকর্তা।
 
বিজিবি ১ নম্বর ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাব্বির আহমেদ সময় সংবাদকে বলেন, ঘন কুয়াশা হওয়ার কারণে অনেক সময় দেখা যায় চোরাচালান বৃদ্ধি পাওয়ার একটা আশঙ্কা থেকে যায়। গবাদিপশু চোরাচালান যেটা হয় সেটা রোধ করতেই আমরা এই ব্যবস্থা করেছি।

ইউনিয়ন পরিষদের দেওয়া তথ্য মতে, জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গবাদিপশুর সংখ্যা প্রায় ৭৫ হাজার। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here