অনলাইন ডেস্কঃ ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট এবং রাশিয়ার উত্তেজনে এখন তুঙ্গে। এরই মধ্যে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর বরাতে সিএনএন জানায়,  এই সেনা সদস্যদের মধ্যে রাশিয়ার সেনাবাহিনী,বিমান বাহিনী এবং নৌ সেনা সদস্যরাও রয়েছে। এদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় শুধু সেনা সদস্য সংখ্যাই নয় সামরিক যন্ত্রাংশ,ট্যাংক এবং ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র সীমান্তে মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

 
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে রাশিয়া নিয়মিতভাবে “এ অঞ্চলে উত্তেজনা বজায় রাখার জন্য তার সামরিক ইউনিট পুনঃস্থাপন করছে।” ওই প্রতিবেদনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, “দ্রুত স্ট্রাইকিং ফোর্স তৈরি করে দ্রুততার সঙ্গে হামলার চালানোর জন্যে তারা এটি করছে।”
 
ইউক্রেন সীমান্তেব কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার এমন সামরিক কার্যক্রম ইউক্রেন এবং পশ্চিমা বিশ্বকে শঙ্কিত করে তুলেছে। সিএনএন গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে বলেছে ইউক্রেনীয় সীমান্ত বরাবর দ্রুত এবং তাৎক্ষণিক আক্রমণ চালানোর জন্য রুশ বাহিনীর সক্ষমতা রয়েছে। 
এছাড়া সংঘাতপূর্ণ সময় বাড়ানোর জন্যে রাশিয়া জ্বালানী সরবরাহ লাইন স্থাপন এবং মেডিক্যাল ইউনিট গঠন করেছে।তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন ইউক্রেনে আগ্রাসন চালাতে চায় না রাশিয়া। 
 
বুধবার রাশিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেছেন  “রাশিয়া একটি শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অধিকার রাশিয়ার আছে”।
 
এর আগে সোমবার ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ বলেছেন, সীমান্তে রাশিয়ার সেনাবাহিনী উত্তেজনাকর পদক্ষেপ তৈরি  করে ইউক্রেনে ভীতি ও অস্থিরতা ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছে। সেই সঙ্গে কিয়েভকে ন্যাটো জোটে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টায় রয়েছে রাশিয়া। সূত্রঃ সময় নিউজ 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here