অনলাইন ডেস্কঃ সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরও যারা সাবেক সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা বা গুম করে সীমা লঙ্ঘন করবে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইসলামিক আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বালখি এ কথা জানান। খবর টোলো নিউজের।

আব্দুল কাহার বালখি টুইটারে লেখেন, সাধারণ ক্ষমা বাস্তবায়নে মুজাহিদিনরা পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং পূর্ববর্তী প্রশাসনের কর্মীরা নির্যাতিত হচ্ছেন না।

‘যদি ইসলামিক আমিরাতের কোনো সদস্য ঘোষিত সাধারণ ক্ষমা লঙ্ঘন করেন তবে তার বিচার করা হবে এবং শাস্তি দেওয়া হবে’, যোগ করেন বালখি।

গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামিক আমিরাতের সাধারণ ক্ষমা ‘স্থানীয় কমান্ডারদের নিরাপত্তা বাহিনীর সাবেক সদস্যদের হত্যা থেকে নিবৃত্ত করতে পারেনি।’

এইচআরডব্লিউর এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরও ২০টির মতো দেশের সরকার।

এদিকে ইসলামিক আমিরাতের সংস্কার কমিশন বলছে, সাবেক সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো সদস্যকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

কমিশনের প্রধান লুৎফুল্লাহ হাকিমি বলেন, ইসলামিক আমিরাতের কোনো সদস্য সাবেক সরকারের জন্য কাজ করা কাউকে বিরক্ত করেছেন এমন অভিযোগ আমরা পাইনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আহমাদ খান আন্দ্রা বলেন, আমরা আশা করব ইসলামিক আমিরাত সাধারণ ক্ষমার যে ঘোষণা দিয়েছিল তা অনুসরণ করবে।

নিউইয়র্কভিত্তিক বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলছে, তৎকালীন পুলিশ ও সেনাদের টার্গেট করে হত্যা ও গুম করেছে তালেবানের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু তালেবানের সিনিয়র নেতারা স্থানীয় কমান্ডারদের বাধা দেননি। সূত্রঃ যুগান্তর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here