অনলাইন ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কবল থেকে নিরাপদ আশ্রয় ফেরার সময় মাছ ধরার বড় ট্রলিং জাহাজের সাথে সংঘর্ষে বঙ্গোপসাগরে একটি মাছধরার ট্রলার ডুবে গেছে। ট্রলারটি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বলে প্রত্যক্ষদর্শী জেলেরা জানান। কয়েক ঘণ্টা পর এক জেলেকে অন্য ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার করলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২০ জেলে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার এফবি সাফওয়ান নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারের মাঝি মো. মহসিনসহ  হাফিজুর রহমান নামে ওই জেলেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেন। ডুবে যাওয়া ওই ট্রলারটি এ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

সাগরে অবস্থানরত জেলেরা জানায়, রবিবার (৫ ডিসেম্বর) ভোররাতের দিকে ঝড়ের কবলে পড়ে পটুয়াখালীর গলাচিপার দক্ষিণের সোনার চর এলাকায় ভোলার চরফ্যাশনের আমিনাবাদ এলাকার মাছধরার ট্রলারটি নিরাপদ আশ্রয়ে আসার সময় বড় আকৃতির একটি ট্রলিং জাহাজ পিছন দিক থেকে সজোরে আঘাত করলে মাছধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারের নাম ও মালিকের নাম জানা যায়নি। উদ্ধার হওয়া জেলে হাফিজুর রহমান বরগুনার তালতলির ছকিনা এলাকায় রয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী প্রত্যক্ষদর্শী পাথরঘাটার জেলেদের সূত্র ধরে বলেন, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে বৈরি আবহাওয়া থাকায় সাগরে টিকতে না পেরে জেলেরা বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে রবিবার (৫ ডিসেম্বর) ভোররাতে পটুয়াখালীর গলাচিপার দক্ষিণে সোনারচর এলাকায় একটি ট্রলিং জাহাজের সাথে সংঘর্ষে ২১ জন জেলেসহ ট্রলারটি ডুবে যায়।

একদিন পর সোমবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে এক জেলে উদ্ধার হলেও আজ সকালে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাকি ২০ জেলেসহ ট্রলারটির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। সাগরে অবস্থিত অন্য মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া জেলে হাফিজুর রহমানের বরাত দিয়ে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী আরও বলেন, ট্রলারটি উল্টো হয়ে তলিয়ে গেছে। বাকি ২০ জন জেলের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here