অনলাইন ডেস্কঃ ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ।

যদিও দেশটিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, ত্রিপুরা ও গোয়ার মতো রাজ্যগুলোতে হবে বিধানসভার ভোট। এরইমধ্যে, কংগ্রেস থেকে বের হয়ে প্রতিদিনই জাতীয় স্তরের নেতা-কর্মীরা যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। আগামী নির্বাচনেই মোদিবিরোধী মুখ হিসেবে উঠে আসতে, কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে মমতার দল আরও শক্তিশালী হতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিল্লি সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এরআগের দফায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও এবার চার দিনের সূচিতে নেই তার সঙ্গে সাক্ষাতের কোনো সূচি।

শুধু তাই নয়, রাহুল ঘনিষ্ঠ অশোক তানওয়ার, প্রাক্তন কংগ্রেস সংসদ সদস্য ও খেলোয়াড় কীর্তি আজাদ এবং বিহারের জেডিইউ সংসদ সদস্য পবন বর্মাকে নিজের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তৃণমূল শিবিরে যুক্ত করে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে কার্যত দল ভাঙনের সামনে ঠেলে দিলেন মমতা।

তবে বিজেপি এটাকে নতুনভাবে দেখছে না। তাদের দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিই এরকম। ২০১১ সালেও কংগ্রেসের সাথে জোট করেই পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ক্ষমতা এসেছিল তৃণমূল। কিন্তু সরকার গঠন করার মাত্র ৬ মাসের মধ্যে কংগ্রেসের সাথে জোট ভেঙে যায়।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০২৪ এর আগে রাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেসের ভাঙন ধরিয়ে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে জায়গা করতেই পরিকল্পনা করে কংগ্রেস নেত্রীর সাথে দূরত্ব তৈরি করছে তৃণমূল। যদিও আগে বলা হয়েছিল, মোদিবিরোধী জোটের কংগ্রেসের পাশে তৃণমূল থাকবে। তবে এখন সেই সব কথা অতীত বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here