অনলাইন ডেস্কঃ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের সরবরাহ সংকটে ভেস্তে যেতে বসেছে স্পেনের ক্রিসমাস উৎসব। করোনার পর বার-রেস্তোরাঁ চালু হওয়ায় যেমন বেড়েছে মদের বিক্রি, তেমনি উৎসবকে কেন্দ্র করে পূর্ব প্রস্তুতির কারণে দেখা দিয়েছে এই সংকট।

এদিকে আগামী মাসের মধ্যেই মদের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করলেও দেশটির গ্লাস প্রস্তুতকারকদের সামনে ধাক্কা হয়ে এসেছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।

পরিপক্ব আঙ্গুরে টুইটুম্বুর স্পেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। তবে এ আঙ্গুর কত দিনে মদ হয়ে ভোক্তার হাতের নাগালে আসবে, তা দুশ্চিন্তায় ফেলেছে ক্রিসমাস উৎসবে মেতে উঠার অপেক্ষায় থাকা স্পেনবাসীকে।

সান্টিয়াগো ফ্রেইস বলেন, এটা ঠিক যে আমাদের কাছে প্রচুর আঙ্গুর আছে। কিন্তু চিন্তার বিষয় তা কতদিনে বোতলে উঠবে। খুবই ভাবনার বিষয়, মদ ছাড়া কীভাবে ক্রিসমাসের প্রচারণা চালাবে আর কীভাবেই বা গ্রাহকদের ধরে রাখব।

এরই মধ্যে দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান জোরেশোরে শুরু করেছে মদ তৈরির কাজ। তারাও ধরতে চান আগামী মাসের রমরমা বাজার। তবে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ মদ প্রস্তুতকারী এই দেশটির জন্য তা মোটেও সহজ নয়। কারণ স্পেনের মতোই মদের বোতল সংকট প্রকট হয়েছে ফ্রান্সেও।
বেতলাজা ওয়াইনারি শ্রমিক ফ্রান্সিসকো ইবাইবারিয়াগা বলেন, মদের সঙ্গে দেখা দেয় বোতল সংকট। ক্রিসমাসের জন্য সুন্দর বোতলের মদের চাহিদা বেশি। সেজন্যই ফ্রান্সে অর্ডার করেছিলাম। কিন্তু আগামী মে-মাসের আগে তারা সরবরাহ করতে পারবে না। ভাবতে পারেন, রঙ-বেরঙয়ের মদ ছাড়া কতোটা সাদামাটা হবে আমাদের ক্রিসমাস উৎসব!

মদের এ ঊর্ধ্বমুখী চাহিদার বিপরীতে বেশ অসহায় হয়ে পড়েছে দেশটির বোতল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। কারণ একদিকে যেমন চাহিদা বেড়েছে আকস্মিক, তেমনি বেড়েছে জ্বালানির দাম। তবে তারা মনে করছেন মদের সংকট উৎসব উদযাপনে বড় বাধা হবে না।

গ্লাস প্রস্তুতকারকদের সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল কেরেন ডেভিস বলেন, আমার মনে হয় না খুব বড় সমস্যা হবে। কারণ এখনও বার-রেস্তোরাঁয় পর্যাপ্ত মদের মজুত রয়েছে। বিদেশিরা তো সাথে নিয়েই এসেছেন। তারপরও আগামী মাসেই সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। আমরা আসলে বেশি চিন্তা করছি জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে বলে। জানেন তো আমাদের প্রচুর জ্বালানি দরকার হয়। অনেক অর্ডার এসেছে; কিন্তু জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে লাভ হচ্ছে না। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here