অনলাইন ডেস্কঃ ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানীতে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে পরীক্ষার্থী ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে   পরিবহন মালিক শ্রমিকদের প্রতি এ আহ্বান জানান সেতুমন্ত্রী।

আগামী রোববার (৭ নভেম্বর) বিআরটিএর ভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলাপ আলোচনা করে বাস্তবভিত্তিক মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যম জনগণের ওপর বাড়তি চাপ সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোলভাড়া বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বৃদ্ধির কারণে অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেণিবিন্যাস এবং টোলহার বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে সর্বশেষ ২০১১ সালে টোলহার বাড়ানো হয়েছিল, দীর্ঘ ১০ বছর পর এই সেতুর টোলহার বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, ২০০৮ সালে মুক্তারপুর সেতু চালু হবার পর এই প্রথম সেখানে টোলহার বাড়ানো হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বাস্তবভিত্তিক ও যৌক্তিক হারে টোলের হার বৃদ্ধির বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রতি আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় সরকার। দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং তেলের দাম কমিয়ে ভাড়া সমন্বয় না হওয়া পর্যন্ত শুক্রবার (৫ নভেম্বর) থেকে বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক স‌মিতি। ফলে শুক্রবার সকাল থেকেই সারা দেশে চলছে এক প্রকার অঘোষিত গণপরিবহন ধর্মঘট।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) ছুটির দিনে জরুরি প্রয়োজনে বের হয়ে অনেকেই পড়েছেন বিপাকে। এ সময় অনেকেই হেঁটে হেঁটে গন্তব্যে উদ্দেশে রওনা দেন। এছাড়া সিএনজি অটোরিকশা কিংবা পাঠাও-উবার সার্ভিস চালু থাকলেও ভাড়া চাওয়া হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। তাও চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। সূত্রঃ যুগান্তর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here