অনলাইন ডেস্কঃ রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান প্রায় দুই দশক ধরে তুরস্ক শাসন করছেন। ২০০৩ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এরপর থেকে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট।

৬৭ বছর বয়সি এরদোগানের স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে তার ভক্তদের রয়েছে নানা কৌতূহল।

এদিকে এরদোগানের বিরোধিরা তার মনোবল দুর্বল করতে প্রায়ই তার স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ান। কারণ, তারা জানেন তীক্ষ্ম মেধাসম্পন্ন দূরদর্শী এরদোগান জীবিত থাকতে একেপির দলীয় অবস্থান দুর্বল করা এত সহজ নয়।

সম্প্রতি তুর্কি প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যগত অবস্থান নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে বিরোধিরা।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৩০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ জানায়, যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে তারা টুইটারে ‘কারসাজিমূলক কন্টেন্ট’ পোস্ট করেছেন।

এদিকে এরদোগানের মিত্ররা এসব পোস্টকে ভুল প্রমাণ করতে তুর্কি প্রেসিডেন্টের কর্মচঞ্চল ছবি ও ভিডিও পোস্ট করছেন।

এরদোগানের বিরোধিরা প্রায়ই তার স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন করে থাকেন। তার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা ধরনের গুজব বছরের পর বছর ধরে ঘুরছে।

৬৭ বছর বয়সি এরদোগান ২০১১ সালে অন্ত্রে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন। এরপর থেকে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত এমন খবর অস্বীকার করে আসছেন।

কর্মচঞ্চল এরদোগান

এ সপ্তাহে নতুন করে গুজব ছড়িয়ে যাওয়ার পর একেপি এরদোগানের কর্মচঞ্চল কিছু ভিডিও পোস্ট করেছে।

বুধবার এরদোগান তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বেশকিছু অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

এহমেত হামদি চামলি নামে একেপির এক সদস্য লিখেছেন, আমাদের প্রধান ইস্তান্বুল থেকে আঙ্কারা এসেছেনে।তিনি খুবই সুস্থ রয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট এরদোগানের গণসংযোগ বিষয়ক পরিচালক ফাহরেত্তিন আলতুন টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, বন্ধুর প্রতি আস্থা রাখুন, শত্রুদের ভয় করুন।

বৃহস্পতিবার এক আইনজীবী এরদোগানের স্বাস্থ্য নিয়ে গুজব যারা ছড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি অভিযোগ করেছেন।

মজার ব্যাপার হলো, এরদোগানের স্বাস্থ্য নিয়ে যখন গুজব ছড়িয়ে যায় তখন ভিডিওতে দেখা যায়, এরদোগান ব্যাপক চনমনে। তিনি ব্যাপক উদ্দীপনা নিয়ে মাঠে বাস্কেটবল খেলছেন। ভিডিওটি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here