অনলাইন ডেস্কঃ বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ অ্যালজাইমার্স এবং অন্যান্য ধরনের স্মৃতি সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত। কিন্তু সেই তুলনায় এর কার্যকর চিকিৎসার ক্ষেত্রে সেভাবে অগ্রগতি নেই। প্রকৃতপক্ষে এই নিয়ে সচেতন নয় সাধারণ মানুষও। সাম্প্রতিক এক গবেষণায়, বিজ্ঞানীরা বলছেন, কখনও কখনও দেখা যায়, অ্যালজাইমার-সম্পর্কিত প্রোটিনগুলি ক্লাস্টারের আকারে রোগীর মস্তিষ্কে জমা হতে শুরু করে। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলি মারা যায় এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।

সায়েন্স অ্যাডভান্সে প্রকাশিত এই গবেষণায় জর্জ মিসাল ও তার সহ-গবেষকরা রোগীদের ডেটা বিশ্লেষণ করেছেন। মস্তিষ্কে কীভাবে অ্যালজাইমার-এর অগ্রগতি রুখে দেওয়া যায়, তা আরও ভালো করে বোঝাই এই গবেষণার মূল লক্ষ্য। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মস্তিষ্কে এই প্রোটিন ক্লাস্টারগুলি সময়ের সঙ্গে বাড়ছে। দ্বিগুণ হতে প্রায় পাঁচ বছর পর্যন্ত লেগেছে।

অ্যালজাইমার্স ডিজিজ এবং স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য রোগের প্রোটিন আণুবীক্ষণিক ক্লাম্পে একসঙ্গে জড়ো হয়। এগুলো রোগীর মস্তিষ্কে জমাট বাঁধতে শুরু করে। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলির মৃত্যু শুরু হয়। ফলস্বরূপ স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে। এই ক্লাস্টারের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগটি বাড়তে থাকে। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে উপসর্গও। সূত্রঃ যমুনা নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here