অনলাইন ডেস্কঃ করোনার কবল থেকে বেরিয়ে ফের আকাশে উড়তে প্রস্তুত থাইল্যান্ড। আগামী মাস থেকে দেশটিতে ভ্রমণে ৪৬ দেশের নাগরিকদের মানতে হবে না কোয়ারেন্টাইনের বাধ্যবাধকতা। ১৯ মাসের বন্দিদশা শেষে ডানা মেলার আগে এখন নিজেদের ঝালিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রকৌশলী, পাইলট ও কেবিন ক্রুরা।

আরও একবার পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বিমানের ইঞ্জিন। দেখা হচ্ছে ককপিটের খুঁটিনাটি। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিমান পরিবহন সংস্থার এমন প্রস্তুতির কারণ, ১৯ মাস পর আবার আকাশে ডানা মেলা।


করোনার কবলে পড়ে এত দিন ধরে আকাশে ওড়ার অপেক্ষায় রানওয়ের পাশে পড়ে ছিল বিমানগুলো। পহেলা নভেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক রুটে থাই বিমান চলবে- সম্প্রতি দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এমন ঘোষণার পর থেকেই বেড়েছে এ খাতের কর্মীদের ব্যস্ততা।

প্রধান প্রকৌশলী বানিয়াত হানসাকুক বলেন,  দেখুন, আকাশে ওড়ার বিষয়টি আমাদের ডিএনএ-তেই রয়েছে। এটা আমাদের কাছে বাইসাইকেল চালানোর মতো। তবুও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বেশকিছু সচেতনতামূলক নির্দেশনা চেকলিস্টে যোগ করছি।
বহরের সব বিমানই এক ধাপে ওড়াবে না থাইল্যান্ডের কোনো বিমান পরিবহন সংস্থা। ডিসম্বের থেকে বিমানের সংখ্যা ও গন্তব্য বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
কেবিন ক্রু কহচামন পিথায়াপিটপাট বলেন, আমি খুবই উত্তেজিত। পর্যটকরা থাইল্যান্ডকে খুবই পছন্দ করেন। তারা আসবেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের ব্যবসায়ীদের আয়ের উৎস হবেন তারা।
এরই মধ্যে দেশটির জাতীয় পতাকাবাহী বিমান পরিবহন সংস্থা শীতকালীন বহর পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে। থাইল্যান্ড যখন আকাশে উড়ার জন্য প্রস্তুত তখনও অনেক দেশই কোয়ারেন্টাইনের মাপকাঠি নিয়ে বেশ সতর্ক।

২০১৯ সালে ৪ কোটি বিদেশি নাগরিক থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন। সেখানে চলতি বছর মাত্র ১ লাখ বিদেশি আসবেন- এমনটাই প্রত্যাশা করছে থাই সরকার। দেশটি এই খাত থেকে বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আয় করে থাকে। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here