অনলাইন ডেস্কঃ ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ জানিয়েছেন মুসা বিন শমসের সুইস ব্যাংক থেকে তার আটকে থাকা ৮২ মিলিয়ন ডলার উত্তোলন করতে পারলে পুলিশকে ৫০০ কোটি টাকা দেবেন। শুধু তাই নয়, নির্মাণ করে দিবেন দ্বিতীয় পদ্মা সেতু।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে প্রতারক কাদের মাঝির সাথে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এসব তথ্য জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ।

ডিবি যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, মুসার সাথে ভুয়া অতিরিক্ত সচিব কাদের মাঝির যে সম্পর্ক তা তিনি এড়াতে পারেন না। আমার কাছে মনে হয়েছে তিনি অন্তঃসারশূন্য। একটা ভুয়া লোক। তার কিচ্ছু নাই। একটা বাড়ি আছে রাজধানীর গুলশানের ৮৪ নাম্বার রোডে। সেটিও তার স্ত্রীর নামে। দেশে এছাড়াও আর কোনো সম্পত্তি নেই। তবে তিনি সুইস ব্যাংকে ৮২ মিলিয়ন টাকা আছে সেই গল্প সবাই বলে বেড়ান।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩ টা নাগাদ স্ত্রী-পুত্রসহ মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আসেন বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের।

৩ ঘণ্টারও বেশি সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ডিবি কর্মকর্তারা। জানতে চান, ক’দিন আগে গুলশান থেকে আটক প্রতারক কাদের মাঝি সম্পর্কে। সে নিজেকে মুসার আইনজীবী বলে দাবি করেন। এসময় তার সাথে মুসা বিন শমসেরের আর্থিক লেনদেনের বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের বলেন, আব্দুল কাদের মাঝি একজন প্রতারক। সে নিজেকে অতিরিক্ত সচিব দাবি করে নিজের ভিজিটিং কার্ড দেখায়। সে আমার সাথে বিভিন্ন সময় ছবি তুলেছে। এবং আমার সামনে মাঝে মাঝে বড় বড় লোকের সাথে কথা বলতো, যেমন: আইজিপি।

তিনি আরও জানান, আমি নিজেও তার দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়েছি। এবং ভুক্তভোগী হিসেবে আমি নিজেও তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।

এ সময় মুসা বিন শমসের কথা বলতে গিয়ে আটকে যাচ্ছিলেন। তাকে সহায়তা করেন পাশে থাকা সন্তান আইনজীবী জুবেরি হাজ্জাজ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে কথা বলেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার।

এর আগে মুসা বিন শমসের দুদকে গিয়েছিলেন তার নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীদের নিয়ে। তবে ডিবির নির্দেশে এবার সেই নিরাপত্তা ছাড়াই আসেন। সূত্রঃ যমুনা নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here