অনলাইন ডেস্কঃ শরীয়তপুরে পদ্মাসহ সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সেইসঙ্গে তীব্র স্রোতে নতুন নতুন এলাকায় নদী-ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এদিকে ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।


পদ্মার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় শরীয়তপুরে নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকা ও চরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা। জেলার জাজিরা উপজেলার কুন্ডের চর, বিলাসপুর, বড়কান্দি, পালেরচর ও পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের  বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে দেখা দিয়েছে পদ্মার ভাঙন। এতে কয়েকদিনে ৮০টি বসত বাড়ি, বিস্তৃর্ন ফসলি জমি ও দুর্গারহাটের তিনটি দোকান নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।

ভাঙন রোধে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডাম্পিং অব্যাহত রেখেছে পানি উন্নয়ন বোড। এতে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আসায় খুশি ভাঙনকবলিত মানুষ। তবে নদীর তীর সংরক্ষণে স্থায়ী বাঁধ তৈরির দাবি তাদের।

জাজিরার বড়কান্দি এলাকার ভাঙনকবলিত এক ব্যক্তি বলেন, আমরা প্রতি বছরেই ভাঙনের শিকার হচ্ছি। আমাদের ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি, গবাদিপশু নদীতে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, নদীর তীর সংরক্ষণে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হোক।

এদিকে ভাঙনের ঝুকিতে রয়েছে পদ্মার কূল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা বিলাসপুর ইউনিয়নের কাজিয়ারচর ছমিরুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টি বিলিন হলে শিক্ষায় আলোকিত হওয়ার ভাগ্য মুছে যাবে চরাঞ্চলের দেড় সহাস্রাধিক শিক্ষার্থীর।
বর্তমানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে বিদ্যালয়টি রক্ষায় অস্থায়ীভাবে তৎপর রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থায়ী সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ করে বিদ্যালয়টি রক্ষার দাবি শিক্ষার্থীদের।

জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডম্পিং করায় ভাঙন  স্থিতিশীল। জাজিরা উপজেলায় স্থায়ী ভাঙন রোধে গৃহীত প্রকল্প রয়েছে অনুমোদনের অপেক্ষায়। অনুমোদন পেলে স্থায়ীভাবে তীর সংরক্ষণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here