অনলাইন ডেস্কঃ ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনড হামলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রথম কিংবা শেষ চেষ্টা নয়। এর আগে-পরে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর ১৫ বার সশস্ত্র হামলা করা হয়। ষড়যন্ত্র হয়েছে আরও অন্তত ৫ বার।

১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরার পর থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। সে বছরই তার ওপর হামলা চালায় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সংগঠন ফ্রিডম পার্টির সন্ত্রাসীরা।

২৪ জানুয়ারি ১৯৮৮। লালদীঘি ময়দানে ৮ দলীয় জোটের সমাবেশে যোগ দিতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে যাওয়ার পথে ট্রাক মিছিলে সশস্ত্র হামলা হয়। এতে সাতজন নিহত হন। আহত হন ৩০০ জন। পরদিন জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয় শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে গুলি করেছিল পুলিশ ও বিডিআর।
পরের বছর ১১ আগস্ট ১৯৮৯ সাল। আবারও বঙ্গবন্ধুর খুনি ফারুক-রশিদের ফ্রিডম পার্টির সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলা। শেখ হাসিনা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে আছেন তা নিশ্চিত হয়ে রাত ১২টার দিকে ৭-৮ মিনিট ধরে গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করলেও তা বিস্ফোরিত হয়নি।
১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ সাল। গ্রিন রোডে একটি কেন্দ্রে ভোটের পরিস্থিতি দেখতে যান শেখ হাসিনা। গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই ২০-২৫ রাউন্ড গুলি ও বোমাবর্ষণ করা হয়। দৈনিক ইত্তেফাকে লেখা হয় বিএনপির ওয়াহিদের নেতৃত্বে দলটির কর্মীরা এ হামলা চালিয়েছিল। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here