অনলাইন ডেস্কঃ সিরাজগঞ্জের সলংগায় ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিনকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যা মামলার পলাতক তিন আসামিকে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭)।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) নগরের বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. লুৎফর রহমান ওরফে আব্দুল হক (৫৮), মো. আলাউদ্দিন শেখ (৩৪) ও মো. ওবায়দুল্লাহ শেখ (২২)। তাদের তিনজনেরই বাড়ি সিরাজগঞ্জের সলংগা থানায় পূর্ব ফরিদপুর গ্রামে।। তাদের মধ্যে মো. আলাউদ্দিন শেখ ও মো. ওবায়দুল্লাহ শেখ আপন দুই ভাই বলে জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ১৭ আগস্ট সকালে সিরাজগঞ্জের সলংগা থানার বিষ্ণপুর এলাকার ফুলজোড় নদীর তীরে ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিনকে লুৎফর রহমান ও তার সহযোগিরা রড, শাবল ও কাঠ দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। আহত করে আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ আগস্ট বিকেলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. মাছুদুর রহমান বাদী হয়ে সলংগা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র‌্যাব এই মামলার ছায়াতদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি লুৎফর রহমানসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে তারা।

র‌্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে আসামিদের সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিন হত্যা মামলায় মূল আসামি লুৎফর রহমানসহ তিনজন গ্রেপ্তারের খরব শুনে স্বস্তি ফিরেছে নিহতের স্বজনদের মধ্যে। মামলার বাদী নিহতের ভাই মো. মাছুদুর রহমান জানান, তিন আসামি র‌্যাবের হাতে চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হয়েছে শুনেছি। আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here