অনলাইন ডেস্কঃ সাথে সঞ্চালন লাইন তৈরি না হওয়ায় ব্যবহার করা যাচ্ছে না পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট। এর ফলে প্রতি মাসে রাষ্ট্রের ক্ষতি হচ্ছে অন্তত ১০০ কোটি টাকা।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দৃষ্টিনন্দন পায়রা তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পে চালু রয়েছে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট। শুরু থেকে এখনও দুটি ইউনিট একসাথে চালানো যায়নি। পায়রা থেকে দৈনিক গড়ে ছয়শ মেগাওয়াট যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে, যা একক কেন্দ্র থেকে পাওয়া সর্বোচ্চ পরিমাণ বিদ্যুৎ।

পটুয়াখালীর এই বিদ্যুৎ যাচ্ছে বরিশাল থেকে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায়। রাজধানীতে তা নিতে পাঁচ বছর আগে, ২০১৬ সালে ঢাকা-গোপালগঞ্জ-মোংলা সঞ্চালন লাইন তৈরির উদ্যোগ নিলেও তা শেষ হয়নি এখনও। পদ্মাসেতু চালু না হলেও সে কাজ শুরু করাও সম্ভব নয় বলে জানালেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ক্ষতি কমাতে সরকার সব ধরনের চেষ্টা করছে বলেও জানালেন তিনি।

জ্বালানি হিসেবে তুলনামূলক সস্তা কয়লা থেকে পাওয়া এই ৬৬০ মেগাওয়াট বন্ধ থাকায় চাহিদা পূরণ হচ্ছে তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে, যার দাম অন্তত তিনগুণ বেশি। আবার একটি ইউনিট বন্ধ থাকলেও তার ক্যাপাসিটি চার্জ গুনতে হচ্ছে পিডিবিকে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম জানালেন, এর ফলে প্রতিমাসেই সরকারের লোকসান হচ্ছে অন্তত ১০০ কোটি টাকা।

এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট ইউনিট হবে চারটি, তখন উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট। পুরো প্রকল্প উৎপাদনে আসার আগে সঞ্চালন লাইন সম্পন্ন না হলে বছরে অন্তত ছয় হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনতে হবে বাংলাদেশকে। সূত্রঃ যমুনা নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here