অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিভাষা আদর করে কুয়াকাটাকে ডাকে ‘সাগরকন্যা’ বলে। এই সমুদ্র সৈকতের প্রধান বৈশিষ্ট্য, একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। সৈকতে প্রতিনিয়ত লাল কাঁকড়ার দেখা মেলে। এছাড়াও চর বিজয়, গঙ্গামতির, রাখাইন পল্লী, ইকোপার্ক, ইলিশ পার্ক, লেম্বুর বন ও ঝাউবাগানসহ বেশকয়েকটি পর্যটন স্পট রয়েছে কুয়াকাটার আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। যা দেশি বিদেশি পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।

প্রাকৃতিক এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে বছরের নানা সময়ে কুয়াকাটায় ছুটে আসে হাজারো পর্যটক। তবে এবারের ঈদুল ফিতর ও লম্বা সরকারি ছুটি সামনে রেখে কুয়াকাটায় ভিড় আরও বাড়বে বলে আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে অগ্রীম হোটেল বুকিং। সবমিলিয়ে ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

রমজান মাসজুড়ে কুয়াকাটায় পর্যটকদের আনাগোনা অনেকটাই কম ছিল। তবে আগামী ১লা মে থেকে টানা ছুটিতে বড় সংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটবে এমনটাই আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাই হোটেল-মোটেলগুলো ধুয়ে-মুছে পরিপাটি করে তারা পর্যটক বরণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর ৪০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০ শতাংশ রুম অগ্রীম বুকিং হয়ে গেছে এমনটা দাবি করেছেন, ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা টোয়াক’র সেক্রেটারি কে এম জহিরুল ইসলাম।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কেএম বাচ্চু বলেন, ‘পর্যটকদের আগাম সম্ভাবনাকে ঘিরে আমরাও প্রস্তুতি নিয়েছি। পায়রা সেতুসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় খুব সহজেই এসব পর্যটকরা কুয়াকাটায় আসছেনে।’

শিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলাস’-এর সহকারি জেনারেল ম্যানেজার মো.আল আমিন খান উজ্জ্বল বলেন, ‘ইতোমেধ্যে তাদের ৪০ শতাংশ রুম বুকিং হয়ে গেছে। এখনও অনলাইলে বুকিং চলছে।’

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক মো.হাসনাইন পারভেজ জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here