অনলাইন ডেস্কঃ দীর্ঘ পাঁচ মাস পর ৫ জনের মরদেহ বুঝে পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের হাসেম ফুড ও বেভারেজ কারখানায় নিহতদের স্বজনরা।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনের দেহাবশেষ বুঝে পেয়ে কিছুটা হলেও স্বান্তনা খুঁজে পাচ্ছেন তারা। এ নিয়ে নিহত ৫১জনের মরদেহই হস্তান্তর করল সিআইডি।

বড় বোন লাবণ্যের মরদেহ শনাক্ত হয়েছে শুনে ছোট্ট জিহাদ বায়না ধরে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় আসার। বোনের মরদেহ বুঝে পেতে তার এই অপেক্ষা ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে বসে থাকা এক কিশোরের। জীবিত কিংবা মৃত মেয়ের খোঁজে বহু জায়গায় ঘুরেছেন মা জোছনা বেগম। মায়ের সঙ্গে বেড়াতে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে সাধ হয় কারখানা ঘুরে দেখার। আর এই সাধই কেড়ে নিয়েছে লাবেণ্যের প্রাণ।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে হাসেম ফুড ও বেভারেজ কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মরদেহ বুঝে পেতে ভিড় করেন স্বজনরা। সিআইডি পুলিশ একে একে বুঝিয়ে দেয় পুড়ে যাওয়া পাঁচজনের মরদেহ।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিআইডির অ্যাডিশনাল এসপি জীবন কান্তি সরকার বলেন, ডিএনএ ম্যাচিং করতে সমস্যা হওয়ার কারণেই দীর্ঘ সময় লাগলো মরদেহ হস্তান্তরে। এ ঘটনায় নিহত ৫১ জনের মরদেহই হস্তান্তর করা হলো।


গত ৮ জুলাই বিকেলে রুপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধার করা হয় আরও ৩ জনের কঙ্কাল। এর আগে ৪৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে সিআইডি। সূত্রঃ সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here