অনলাইন ডেস্কঃ জনগণকে নিরাপত্তা দিতে রাস্তার মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছে তালেবান। কিন্তু অনেক বাসিন্দা এতে উল্টো বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। কাবুলের অনেক বাসিন্দাই এমন দৃশ্য দেখতে অভ্যস্ত নয়। কঠোর হাতে তালেবানের নিরাপত্তা রক্ষার কৌশল সেখানে কোনো কাজে আসছে না।এদিকে আফগানিস্তানে ভিন্নমতের লোকজনের ওপর তালেবানের দমনপীড়নের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। ৯/১১ হামলার ২০তম বার্ষিকীতে অন্তর্বর্তীকালীন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান বাতিল করেছে তালেবান। খবর রয়টার্স।

এদিকে, শনিবার কাবুলে তিন শতাধিক নারী বোরকা পরে তালেবানের সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এ সময় তাদের পরনে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢাকা কালো বোরকা এবং হাতে ছিল তালেবানের পতাকা।

তালেবানের সমর্থনে এসব নারীরা কাবুলের শহীদ রাব্বানি এডুকেশন ইউনিভার্সিটির লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত ওই সমাবেশে অংশ নেন। সমাবেশে কয়েকজন নীল রঙয়ের বোরকা পরলেও বেশিরভাগেরই পরনে ছিল কালো বোরকা ও নেকাব। অনেককে হাতমোজাও পরতে দেখা যায়। সমাবেশে নারীরা পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসলামপন্থীদের নীতির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন।

সমাবেশে শাবানা ওমারি নামে এক নারী জনতার উদ্দেশে বলেন, তিনি তালেবানদের নীতির সঙ্গে একমত যে নারীদের মাথা ঢেকে রাখা উচিত।

জানা যায়, তালেবান বিরোধীদের বিক্ষোভ আফগানিস্তানে অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কর্মকর্তার বরাতে দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভে তালেবান যোদ্ধাদের হাতে চারজন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুঁজে বের করা হচ্ছে। বিক্ষোভ বাড়লেও তালেবান সব অননুমোদিত বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এবং বৃহস্পতিবার তারা কাবুলে টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলোকে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনাও দেয়। সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here