অনলাইন ডেস্কঃ একটি যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থার বরাতে আল-আরাবিয়া এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবসারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, উত্তর সিরিয়ার আফরিন শহরের বাইরের একটি স্কুলকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আল হামজা ডিভিশন’ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করত। এই অঞ্চলটি ২০১৮ সালের পর থেকে তুরস্ক ও সিরিয়ার আসাদ বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রোববার রাশিয়া এই অঞ্চলে বিমান হামলা করলে ১৩ জন যোদ্ধা নিহত ছাড়াও আরও ১৩ আহত হয়। ভেঙে পড়া ভবনের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান রামি আব্দুল রহমান বলেন, তুরস্ক নিয়ন্ত্রিত এই এলাকাতে এ ধরনের হামলা বিরল।

রাশিয়ার হামলার পর তুরস্ক সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একজন মুখপাত্র বলেন, রোববার রাশিয়ার হামলা তুরস্কের প্রতি স্পষ্ট বার্তা যে, ‘রেডলাইন’ বলে কিছু নেই।

তুরস্ক সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট আসাদ বিরোধীদেরকে সমর্থন দিচ্ছে। আঙ্কারা সিরিয়ার ভেতর কুর্দিদের লক্ষ্য করে মাঝে মাঝে বিমান হামলা চালিয়ে থাকে।

অন্যদিকে তুরস্কের মিত্র রাশিয়া বাশার আল আসাদ সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ভ্লাদিমির পুতিন আসাদ সরকারকে সামরিক সহায়তা প্রদান করছে।

তবে সিরিয়ায় রাশিয়া ও তুরস্ক পরস্পরবিরোধী গ্রুপকে সমর্থন দিলেও সিরিয়ায় উত্তরে এই দুই দেশের মধ্যস্থতায় অনেক যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে ইদলিবের যুদ্ধবিরতিও রয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here