অনলাইন ডেস্কঃ রাশিয়া মঙ্গলবার ইউক্রেনীয় বাহিনীকে ‘অবিলম্বে’ অস্ত্র ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া অবরুদ্ধ বন্দর শহর মারিউপোলের প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়া যোদ্ধাদের যুদ্ধ বন্ধের জন্য নতুন চরমপত্র দেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি সোমবার গভীর রাতে তার দেশের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার নতুন আক্রমণ শুরু হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সতর্কতা এলো।

মস্কো থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা আবারও কিয়েভ কর্তৃপক্ষকে যুক্তিপূর্ণ আচরণ করতে এবং যোদ্ধাদের নির্বোধের মতো প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়া বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানাই।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘কিন্তু তারা কিয়েভ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ ধরনের নির্দেশনা এবং আদেশ পাবে না ধরে নিয়ে আমরা (যোদ্ধাদের) স্বেচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিতে এবং তাদের অস্ত্র সমর্পণ করার আহ্বান জানাই। ’

বিবৃতিতে পূর্ব ইউক্রেনে নতুন স্থল আক্রমণের সরাসরি কোনো উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে যে, মস্কোর কাছে কিয়েভের প্রশাসনের তৈরি করা ‘মারাত্মক নতুন অপরাধের বাস্তব প্রমাণ’ রয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরো বলেছে, আজভ সাগরতীরের বন্দর মারিউপোলে অগ্রসরমান রুশ বাহিনীকে প্রতিহত করা ইউক্রেনীয় যোদ্ধারা ‘বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে’ পড়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী আবারও ইউক্রেনের জাতীয়তাবাদী ব্যাটালিয়নগুলো এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের সমস্ত সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ করার এবং দুপুরের পর থেকে তাদের অস্ত্র সমর্পণের সুযোগ দিচ্ছে। …যারা অস্ত্র জমা দেবে তাদের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। ’ সূত্রঃ কালেরকণ্ঠ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here