অনলাইন ডেস্কঃ আজ বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দিবসের আলোকরেখা পশ্চিমে মিলিয়ে যাওয়ার পরই শুরু হবে মুসলমানের কাছে পরম কাঙ্ক্ষিত মহা মহিমান্বিত রজনী। নিশ্চিত পুণ্যের অভাবনীয় খাজাঞ্চি সাজানো রজনী-পবিত্র লাইলাতুল কদর।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, হাজার মাস অপেক্ষা এই রাত সর্বশ্রেষ্ঠ। মহিমান্বিত এ রাতটি আজকের দিন শেষে আসার সম্ভাবনা বেশি। সহিহ হাদিস অনুযায়ী ২০ রমজানের পর যে কোনো বেজোড় রাত কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজান শেষে ২৭ রমজান রাতেই লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা বেশি বলে কোনো কোনো মুহাক্কিক আলেমের অভিমত।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা লাইলাতুল কদরকে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলে অভিহিত করেছেন। এর অর্থ হলো, সাধারণ ১ হাজার মাস তথা ৮৩ বছর চার মাস প্রতি রাত জাগ্রত থেকে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি নফল ইবাদত করলে যে সওয়াব হবে, এই এক রাতের ইবাদতে তার চেয়েও অনেক বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে। শবেকদরকে আরবিতে লাইলাতুল কদর বলা হয়। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুন’ অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী এবং ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান। এছাড়া এর অন্য অর্থ হলো ভাগ্য, পরিমাণ ও তাকদির নির্ধারণ করা।

শবেকদরের রাতে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত এবং নির্দিষ্ট সুরা পড়ে নফল নামাজের নির্ভরযোগ্য কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। বরং এ রাতে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, নফল নামাজ, দোয়া ইস্তিগফারে কাটিয়ে দেওয়া উচিত। মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে সওয়াব হাসিল ও গুনাহ মাফের রাত হিসেবে শবেকদরের ফজিলত অতুলনীয়।পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি প্রমুখ পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। পবিত্র শবেকদর উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, ধর্মীয় বয়ান ও আখেরি মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রঃ ইত্তেফাক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here