জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৪-তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র (২৯ আগস্ট ১৯৭৬) ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এই বিদ্রোহী কবি। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সহিত কবি কাজী নজরুল ইসলাম কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে দাফন করা হয়।

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ,সাংবাদিক এবং দার্শনিক। তিনি শুধু বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখেননি পাশাপাশি তিনি একজন অন্যতম প্রগতিশীল প্রণোদনীকও ছিলেন। তার কবিতা এবং সংগীত পশ্চীমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দুই বাংলায় ই বেশ খ্যাত এবং সমাদৃত ছিল। তিনি বাংলার সংগীতকে এক নতুন জগতে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল খুবই শক্তিশালী প্রেরণার উৎস। বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কবির মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম।

দেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালে কাজী নজরুল ইসলাম সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। এবং থাকার জন্য ধানমন্ডিতে একটি বাড়ি পান। এরপর তাকে বাংলাদেশের নাগরিত্ব প্রদান করা হয়। এবং বাংলার মানুষের ভালোবাসায় তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবিতে ভূষিত করা হয়।

বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী অবদানের জন্য আজ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মানুষ স্মরণ করবে তাদের প্রিয় কবিকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here